JAY JAGANNATH

🕉️#ভগবান_জগন্নাথ🕉️


🌟#জগন্নাথ অর্থাৎ, “জগতের নাথ” বা “জগতের প্রভু” হলেন একজন হিন্দু দেবতা। জগন্নাথ হলেন #শ্রীবিষ্ণুর_অবতার, যাঁর দাদা #বলরাম ও #সুভদ্রার সঙ্গে পূজা করা হয়।

🌟ষোড়শ শতাব্দীতে #তুলসীদাস পুরীতে এসে জগন্নাথকে #শ্রীরামচন্দ্র রূপে পূজা করেছিলেন। #চৈতন্য_মহাপ্রভুর সময় থেকে জগন্নাথকে কৃষ্ণের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

🌟 পৌরাণিক কাহিনী অবলম্বনে:-
👉জগন্নাথদেবকে কেন্দ্র করে দুটি জনপ্রিয় কাহিনি প্রচলিত আছে। প্রথম কাহিনি অনুসারে, কৃষ্ণ তার ভক্ত #রাজাইন্দ্রদ্যুম্নের সম্মুখে আবিভূর্ত হয়ে পুরীর সমুদ্রতটে ভেসে আসা একটি কাষ্ঠখণ্ড দিয়ে তার মূর্তি নির্মাণের আদেশ দেন। মূর্তিনির্মাণের জন্য রাজা একজন উপযুক্ত কাষ্ঠশিল্পীর সন্ধান করতে থাকেন। তখন এক রহস্যময় বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ কাষ্ঠশিল্পী তার সম্মুখে উপস্থিত হন এবং মূর্তি নির্মাণের জন্য কয়েকদিন চেয়ে নেন। সেই কাষ্ঠশিল্পী রাজাকে জানিয়ে দেন মূর্তি নির্মাণকালে কেউ যেন তার কাজে বাধা না দেন। বন্ধ দরজার আড়ালে শুরু হয় কাজ। রাজা ও রানি সহ সকলেই নির্মাণকাজের ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী হয়ে ওঠেন। প্রতিদিন তারা বন্ধ দরজার কাছে যেতেন এবং শুনতে পেতেন ভিতর থেকে খোদাইয়ের আওয়াজ ভেসে আসছে। ৬-৭ দিন বাদে যখন রাজা বাইরে দাঁড়িয়েছিলেন এমন সময় আওয়াজ বন্ধ হয়ে যায়। অত্যুৎসাহী রানি কৌতূহল সংবরণ করতে না পেরে দরজা খুলে ভিতরে প্রবেশ করেন। দেখেন মূর্তি তখনও অর্ধসমাপ্ত এবং #কাষ্ঠশিল্পী অন্তর্ধিত। এই রহস্যময় কাষ্ঠশিল্পী ছিলেন #দেবশিল্পীবিশ্বকর্মা। মূর্তির হস্তপদ নির্মিত হয়নি বলে রাজা বিমর্ষ হয়ে পড়েন। কাজে বাধাদানের জন্য অনুতাপ করতে থাকেন। তখন #দেবর্ষি_নারদ তার সম্মুখে আবির্ভূত হন। #নারদ রাজাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন এই অর্ধসমাপ্ত মূর্তি পরমেশ্বরের এক স্বীকৃত স্বরূপ।

২. 👉দ্বিতীয় কাহিনিটির অবতারণা করা হয়েছিল পূর্বোল্লিখিত উপখ্যানটির ব্যাখ্যা ও সংশয় নিরসনের উদ্দেশ্যে। #বৃন্দাবনে গোপীরা একদিন #কৃষ্ণের_লীলা ও তাদের কৃষ্ণপ্রীতির কথা আলোচনা করছিলেন। কৃষ্ণ গোপনে সেই সকল কথা আড়ি পেতে শুনছিলেন। কৃষ্ণভগিনী #সুভদ্রাকে নিয়োগ করা হয়েছিল #গোপীরা যখন কৃষ্ণের কথা আলোচনা করেন তখন কৃষ্ণ যেন তাদের নিকটবর্তী না হতে পারে সেদিকে নজর রাখার জন্য। কিন্তু গোপীদের #কৃষ্ণপ্রীতি দেখে পরিতুষ্ট সুভদ্রা তাদেরই কথা শুনতে শুনতে বিমোহিত হয়ে গেলেন। দেখতে পেলেন না যে তাদের দুই দাদা #কৃষ্ণ ও #বলরাম এগিয়ে আসছেন। শুনতে শুনতে দুই ভাইয়ের কেশ খাড়া হয়ে উঠল, হাত গুটিয়ে এল, চোখদুটি বড় বড় হয়ে গেল এবং মুখে আনন্দের উচ্চ হাসির রেখা ফুটে উঠল। এই কারণেই #জগন্নাথ, #বলরাম ও #সুভদ্রার এইপ্রকার রূপ। বৈষ্ণবরা #কৃষ্ণের এই বিমূর্ত রূপটিকে পূজা করেন।

🌟#পুরীরজগন্নাথমন্দির ভারতের অন্যতম প্রসিদ্ধ মন্দির।এখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একমাত্র প্রবেশাধিকার থাকে।মন্দিরের প্রধান দ্বার সিংহদ্বারের রক্ষক দেবতা #জয় ও #বিজয়।

শ্রীজগন্নাথদেব

Published by anandamayee88

ONE WHO LOVES GOD FINDS THE OBJECT OF HIS LOVE EVERYWHERE.

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started