GURU PURNIMA

গুরু_পূর্ণিমা আষাঢ়ী পূর্ণিমাকে সাধারণভাবে সনাতন ধর্মে গুরু পূর্ণিমা বলে। এদিন ব্যাসদেবের জন্মতিথি।তিনি বেদের বিভাগ করেছিলেন, তাই তাঁকে বেদব্যাস বলাহয়। এই তিথিতে ব্যাসদেবের পূজা করা হয়। তিথিটিকে তাই গুরু পূর্ণিমা বলে ধরা হয়। গুরুদেবের এই দিনে বিশেষ করে পূজার্চনা করা হয়।তাঁর কথা, তাঁর বাণী, তাঁর আদেশ বিশেষ করে স্মরণ মনন করা হয়। গুরু শরীরে থাকলে তাঁর …

Thakur er katha(sri Ramkrishna)

ব্রহ্মানন্দজী ও তুরীয়ানন্দজী অযোধ্যাতে থাকাকালীন একটা ঘটনা ঘটে। অযোধ্যাতে তখন খুবই অন্নকষ্ট। একাদশীর দিন ভিক্ষায় বাহির হইয়া তুরীয়ানন্দজী কিছু গেঁটে কচু সিদ্ধ মাত্র সংগ্রহ করিতে পারিলেন। ভিক্ষালব্ধ কচু সিদ্ধই তাঁহারা নির্বিকারভাবে আহার করিতে বসিলেন। কচু সামান্য খাইতেই ব্রহ্মানন্দজীর গলা খুব ধরিয়া উঠিল। তুরীয়ানন্দজীরও গলায় যন্ত্রণা হইতেছিল। সেদিকে ভ্রূক্ষেপ না করিয়া তিনি ব্রহ্মানন্দজীর জন্য একটা লেবু …

Maayer Katha (SARADA MAA)

শ্রী মায়ের মাতৃত্ব—– জয়রামবাটীতে এক বালবিধবা ছিল। খুব গরিব। অতি কষ্ট মজুর খেটে দিন গুজরান করত। কবে বিয়ে হয়েছিল, স্বামী কেমন ছিল, কবে বিধবা হয়েছে, কিছুই জ্ঞান নেই । যখন একটু বয়স হলো তখন বুঝল যে, সে বিধবা, তার আর বিয়ে হবে না, সংসার-সুখ ভোগে তার আধিকার নেই । ভক্তদের জিনিসপত্রের বোঝা বইবার জন্য মায়ের …

Kathamrito

জয়গোপাল জিজ্ঞাসা করলেন—- কি করে তাঁর কৃপা হয়? শ্রীরামকৃষ্ণ বলছেন—— “তাঁর নামগুণকীর্তন সর্বদা করতে হয়, বিষয়চিন্তা যত পার ত্যাগ করতে হয় — তুমি চাষ করবার জন্য ক্ষেতে অনেক কষ্টে জল আনছো, কিন্তু যোগ (আলের গর্ত) দিয়ে সব বেরিয়া যাচ্ছে। নালা কেটে জল আনা সব বৃথা পণ্ডশ্রম হল।” “চিত্তশুদ্ধি হলে, বিষয়াসক্তি চলে গেলে, ব্যাকুলতা আসবে; তোমার …

SWAMI SOMESWARANANDAJI

মানসিকনেত্রেদেখুন স্বামী_সোমেশ্বরানন্দ ~~~~~~কোন দুঃখী বা অশান্ত মানুষ আপনার কাছে এলে আপনি নিজের মনকে শান্ত করুন, চুপ হয়ে যান। এবার তার দিকে তাকিয়ে আপনি মনে- মনে বলতে থাকুন –সে শান্তি পাক… সে শান্তি পাক…। শুধু বলা নয় ,নিজে অনুভব করুন যে তার মন শান্তিতে ভরে যাচ্ছে। গভীরভাবে অনুভব করতে থাকুন। নিজেকে শান্ত করে আপনি যতই এভাবে …

Thakurer katha (Ramakrishna)

[ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও দেহের লক্ষণ—–মঁহেশ ন্যায়রত্নের ছাত্র ] শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টার প্রভৃতিকে)—শরীরের লক্ষণ দেখে অনেকটা বুঝা যায়, তার হবে কি না। খল হলে হাত ভারী হয়। “উনপাঁজুরে লক্ষণ ভাল না। আর হাড় পেকে—কনুয়ের গাঁট মোটা, হাত ছিনে। আর বিড়াল চক্ষু—-বিড়ালের মত কটাচোখ। “ঠোঁট ডোমের মতো হলে—-নীচবুদ্ধি হয়। বিষ্ণুঘরের পুরুত কয়মাস একটিং কর্মে এসেছিল। তাঁর হাতে …

Thakurer katha(Ramakrishna)

“যার বেশী জোর, সে পরে টেনে নেবে”——– বর্ষাকালে মাঠ একেবারে ডুবে যায়, তখন মাঠ আর দেখা যায় না; মাঠ যেমন পুকুর! তখন মাঠ কি করে? মাঠ কেবল রাতদিন আকাশপানে তাকিয়ে চুপ করে পড়ে থাকে; সময়ে দেখতে পায় যে, যে জল তাকে ডুবিয়ে রেখেছিল, সে জল আর নেই, সব শুকিয়ে গেছে। তুমিও তেমনি রামকৃষ্ণদেবের মুখপানে তাকিয়ে …

Maayer Katha (SARADA MAA)

মায়ের অসুখ সমভাবেই চলেছে।শরীর ক্রমশ খুব দুর্বল হচ্ছে।প্রায়ই জ্বর হয়।শরীর নিতান্ত দুর্বল।মা খুব কষ্ট করে ওঠেন।মা কদিন ধরেই ভাবছেন একগাছি লাঠি পেলে একটু যেতে আসতে পারি। মা একদিন দেখলেন-দোর-গোড়ায় কে একগাছি লাঠি রেখে গেছে।ঠাকুর ঠিক এনে জুগিয়ে রেখে দিয়েছেন।হাতে করে তুলে লাঠিগাছা দেখলেন।মা হাসতে হাসতে বলছেন,”জিজ্ঞাসা করলুম-কে লাঠি ফেলে গেছে গো? তা কেউ বলতে পারলে …

Design a site like this with WordPress.com
Get started